শরীয়তপুরে ডাকাতির ঘটনায় আরোও তিনটি মামলা দায়ের
- By রিপন |
- March 9th, 2025 |
- সর্বশেষ
শরীয়তপুরে ডাকাতির ঘটনায় আরোও তিনটি হত্যা মামলা দায়ের।
গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি শরীয়তপুরের কীর্তিনাশা নদীতে ডাকাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে গণপিটুনিতে ৬ জন নিহত হওয়ার পর এ ঘটনায় আরও তিনটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। বৃহস্পতিবার পুলিশ বাদী হয়ে শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানায় একটি এবং মাদারীপুর সদর থানায় দুটি মামলা রুজু করেছে। এর আগে পালং মডেল থানায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এ নিয়ে মোট পাঁচটি মামলা হয়েছে—তিনটি হত্যা, একটি ডাকাতির প্রস্তুতি এবং একটি অস্ত্র আইনে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে শরীয়তপুর সদর উপজেলার তেঁতুলিয়া ও মাদারীপুর সদর উপজেলার বিদ্যাবাগিশ এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, একদল ডাকাত নদীতে লুণ্ঠনের পর পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয় জনতা তাদের তাড়া করে। এ সময় ডাকাতদের ছোড়া গুলিতে আটজন আহত হন। পাল্টা সংঘর্ষে ডাকাত দলের পাঁচজন আহত এবং ছয়জন প্রাণ হারান। নিহতদের মধ্যে তিনজনের মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করা হয়, দুজন নদীর তীরে মারা যান, এবং একজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
নিহতদের মধ্যে চারজনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তাঁরা হলেন—শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার এবাদুল ব্যাপারী (৪২), মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার ছলেমান (৪১), কুতুবপুরের সালাউদ্দিন মাদবর (৩০) এবং ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার সেক পান্নু (৪২)। বাকি দুজনের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। দুজনের মরদেহ মাদারীপুর পৌর গণকবরস্থানে সমাহিত করা হয়েছে, তিনজনের মরদেহ পরিবার গ্রহণ করেছে এবং একজনের মরদেহ শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন জানান, মামলাগুলোর তদন্ত চলছে। ঘটনার সঙ্গে আরও কারও জড়িত থাকার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিহত ও আহতদের বিরুদ্ধে পূর্বের একাধিক মামলার তথ্য পাওয়া গেছে, যা যাচাই করা হচ্ছে।